বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার অংশ নেওয়া জর্ডান অভিষেক ম্যাচে সাহসী ফুটবল উপহার দিলেও শেষ পর্যন্ত জয় পায়নি। সান ফ্রান্সিসকোর বে অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে অস্ট্রিয়ার কাছে ৩-১ গোলে পরাজিত হয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে অস্ট্রিয়া। আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফলও পেয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধের ২০তম মিনিটে রোমানো স্মিডের গোলে এগিয়ে যায় ইউরোপের দলটি। এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি অস্ট্রিয়া। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় জর্ডান। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে নুর আল-রাওয়াবদেহ গোল করে সমতা ফেরান। বিশ্বকাপের মঞ্চে জর্ডানের প্রথম গোলটি দলকে নতুন উদ্দীপনা এনে দেয় এবং ম্যাচে ফেরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
সমতা ফেরানোর পর আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে জর্ডান। তবে ৬৭তম মিনিটে অস্ট্রিয়ার তারকা ফরোয়ার্ড মার্কো আরনাউতোভিচ বল জালে পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনায় গোলটি বাতিল হয়। আক্রমণ গড়ার সময় স্টেফান পশের হাতে বল লাগায় হ্যান্ডবলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
তবুও শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ ধরে রাখতে পারেনি জর্ডান। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন ডিফেন্ডার ইয়াজান আল-আরব। সেই আত্মঘাতী গোলেই আবারও এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া।
শেষদিকে সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালায় জর্ডান। কিন্তু যোগ করা সময়ে সেলিম ওবাইদের হ্যান্ডবলের কারণে পেনাল্টি পেয়ে যায় অস্ট্রিয়া। স্পট কিক থেকে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন মার্কো আরনাউতোভিচ।
৩-১ গোলের এই জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান দারুণভাবে শুরু করল অস্ট্রিয়া। গ্রুপ ‘জে’-তে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে হারলেও লড়াকু পারফরম্যান্সে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া জর্ডান।
মন্তব্য করুন