ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইল ও লেবাননে রাতভর চলেছে হামলা

লেবাননে ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো |সংগৃহীত

রাতভর ইসরাইল ও লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষ হয়েছে। হিজবুল্লাহ রকেট হামলা চালায় এবং ইসরাইল লেবাননে বিমান হামলা করে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

ইসরাইল ও লেবানন সীমান্তে আবারও ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাতভর চলা এই হামলা-পাল্টা হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় রকেট নিক্ষেপ করে, অন্যদিকে ইসরাইল লেবাননের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলের একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর রকেট নিক্ষেপের স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও রকেট লঞ্চিং পয়েন্ট ছিল। অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী জানায়, তারা ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে রকেট হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়।

এই সংঘর্ষ এমন এক সময়ে ঘটছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। বিভিন্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যকে কেন্দ্র করেও নতুন রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, তিনি ইসরাইলকে লেবাননে আরও সংযত পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলায় একদিনেই ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান এবং তার মিত্রদের প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার রয়েছে। এই বক্তব্যে পরোক্ষভাবে হিজবুল্লাহসহ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ভবিষ্যৎ প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় আনা হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহকে এই প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—এ নিয়ে মতবিরোধ আরও বাড়ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ট্রাম্প কি আগের চেয়েও বেশি সংকটে?

1

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে

2

ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের নেপথ্যে যে কারণ

3

বিশ্বকাপ জমাতে দাই দাই গান নিয়ে আসছেন শাকিরা

4

দীর্ঘ ৬ বছর পর ফের ভারত-চীন সীমান্ত বাণিজ্য চালু

5

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি: স্পেন পেল ৬১৫ কোটি, আর্জেন্টিনা ৪০৬ ক

6

সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পর

7

নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে বারবার ভারতকে উসকানি দেয় পাকিস্তান

8

ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এক হাতে তিন ঘড়ি, ছবি ভাইর

9

চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন

10

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হজযাত্রী

11

মেসির সঙ্গে ভাইরাল হওয়া বাকবিতণ্ডা নিয়ে মুখ খুললেন বেলিংহ্য

12

ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরেছে, না কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

13

নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কানাডা

14

স্পেনে দাবানলের ক্ষত কাটছে না, চিন্তায় হাজারো মানুষ

15

বাবাকে স্মরণ করে ফাহমিদার আবেগঘন বার্তা

16

জোড়া গোল করে সমালোচকদের জবাব দিলেন নেইমার

17

নেইমার আর আগের মতো নেই: বলছেন জাপানের ফরোয়ার্ড

18

স্পেনে নিজের মালিকানাধীন ক্লাবের জার্সিতে সন্তানদের নিয়ে মেস

19

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি, শিগগিরই সাক্ষাত

20