স্পেনের মাদ্রিদে ভ য়া বহ দা বানলে ক্ষ তি গ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। আ গু নে বি ধ্ব স্ত সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চল পুনর্গঠনে বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা।
মেসির অনুদানের বিষয়টি জানিয়েছেন মাদ্রিদ অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াস আয়ুসো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, 'লিও মেসি মাদ্রিদের সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চল পুনর্গঠনের জন্য ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মাদ্রিদের মানুষ আশা করে, তাকে শিগগিরই আবার এখানে স্বাগত জানাতে পারব এবং তার প্রাপ্য করতালিতে তাকে সম্মান জানাতে পারব।'
খেলার মাঠে একের পর এক কীর্তি গড়ার পাশাপাশি মাঠের বাইরে নানামুখী মানবিক ও দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই প্রশংসিত লিওনেল মেসি। ২০০৭ সালে নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত 'লিও মেসি ফাউন্ডেশন' এবং বিশ্বজুড়ে ইউনিসেফ (UNICEF)-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তিনি শিশুস্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন অসংখ্যবার।
স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ করে শিশু ক্যান্সার প্রতিরোধে মেসির অবদান অন্যতম। স্পেনের বার্সেলোনায় ইউরোপের সবচেয়ে বড় শিশু ক্যা ন্সার চিকিৎসাকেন্দ্র (SJD Pediatric Cancer Center) নির্মাণে তিনি ও তাঁর ফাউন্ডেশন প্রধান আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা জোগায়। এছাড়া নিজের জন্মশহর আর্জেন্টিনার রোজারিও এবং বার্সেলোনার বিভিন্ন হাসপাতালে ক্যান্সার গবেষণা ও দুস্থ শিশুদের চিকিৎসার ব্যয়ভার তিনি নিয়মিত বহন করে আসছেন।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মহামারী মোকাবিলাতেও বরাবরের মতোই দ্রুত সাড়া দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। করোনাভাইরাস মহামারী শুরুর দিকে স্পেন ও আর্জেন্টিনার হাসপাতালে চিকিৎসা সামগ্রী ও ভেন্টিলেটর কেনার জন্য তিনি ১০ লাখ ইউরো অনুদান দেন। সম্প্রতি ২০২৩ সালে তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য তাঁর ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন ইউরো অর্থ সহায়তা পাঠানো হয়।
যু দ্ধবি ধ্বস্ত ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতেও কাজ করে যাচ্ছেন মেসি। সিরিয়ার গৃহযু দ্ধে বা স্তুচ্যুত শত শত শিশুর পড়াশোনার জন্য অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষা উপকরণ তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে তাঁর ফাউন্ডেশন। ক্রীড়াজগতের শীর্ষ তারকা হয়েও নীরবে-নিভৃতে সাধারণ ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রবণতা তাঁকে কেবল একজন মহান ফুটবলার নয়, এক অনন্য মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।