আর্জেন্টিনার দাপট মেসিকে ছাড়াই দাপট দেখাচ্ছে জর্ডানের বিরুদ্ধে। শুরু থেকে বল দখলে রেখে জর্ডানকে চাপে রাখে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
জিওভানি লো সেলসোর ফ্রি-কিকের দারুণ গোলের পর পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান লাউতারো মার্তিনেস। প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল।
প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে আছে আর্জেন্টিনা। গোল দুটি করেন লো সেলসো ও লাউতারো।
গ্রুপে পয়েন্টশূন্য জর্ডান শুরুতে কিছুটা সাহসী ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। তাদের প্রেসিংয়েও ছিল আগ্রাসন।
অষ্টম মিনিটে অবশ্য আর্জেন্টিনা বল জালে পাঠিয়েছিল। হুলিয়ান আলভারেসের পাস ধরে গোল করেন লো সেলসো, কিন্তু অফসাইডের পতাকা ওঠায় তা বাতিল হয়।
ধীরগতির শুরুতেও বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার কাছেই। ১৩তম মিনিটে জুলিয়ানো সিমিওনের আক্রমণ থেকে কর্নার পায় তারা। নিকোলাস ওতামেন্দি কাছ থেকে হেড নিলেও লক্ষ্য খুঁজে পাননি।
১৯তম মিনিটে ম্যাচের জট খুলে যায়। বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মূহন্নাদ আবু তাহা দেরিতে ট্যাকল করায় হলুদ কার্ড দেখেন, যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় তিনি বলেই পা ছুঁয়েছিলেন। সেই ফ্রি-কিক থেকেই গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে টপ কর্নারে দারুণ শটে বল জালে পাঠান লো সেলসো।
গোলের পরও আক্রমণ থামায়নি আর্জেন্টিনা। ২৯তম মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর পাস ধরে বক্সে শট নিয়ে ক্রসবারে মারেন লাউতারো। ফিরতি বলে মার্কোস সেনেসির প্রচেষ্টাও লাগে বারে। ওই মুহূর্তেই সেনেসির মাথায় পা লাগে নিজার আল-রাশদানের। শুরুতে খেলা চললেও ভিএআরের পর মনিটরে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি।
৩১তম মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করেন লাউতারো। গোলরক্ষককে ভুল দিকে পাঠিয়ে নিচু শটে বল জালে জড়ান ইন্টার মিলান ফরোয়ার্ড। মেসি না থাকায় পেনাল্টির দায়িত্ব নিয়ে ভুল করেননি তিনি।
এরপরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। মাঝেমধ্যে জর্ডানের আক্রমণভাগ নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া গড়ে তুলে কিছুটা হুমকি তৈরি করলেও, শেষ পাস বা ক্রস ছিল অকার্যকর। ফলে আর্জেন্টিনার রক্ষণকে বড় পরীক্ষা দিতে হয়নি।