
কলকাতা হাইকোর্টের এক অন্তর্বর্তী আদেশে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম হয়েছে। আদালত মমতা ব্যানার্জীর সমর্থিত প্রার্থীকে নয়, বরং বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত ব্যানার্জীকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
এর আগে কালীঘাটে এক বৈঠকের পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। তবে সই জালিয়াতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সেই সিদ্ধান্ত বিতর্কের মুখে পড়ে এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
পরবর্তীতে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত ব্যানার্জী অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে একটি পৃথক ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের পক্ষ থেকে তাকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয়।
বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করে বিরোধী পক্ষকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন এমন নির্দেশ আসা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
আদালতের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মমতা ব্যানার্জীর রাজনৈতিক অবস্থান ও দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।